Ticker

6/recent/ticker-posts

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেকটোর প্রতিষ্ঠাতা মহিউল ইসলাম : অন্তহীন আলো ছড়িয়েছেন যিনি।

 

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র, পাঠক সমাবেশ বা বাতিঘরের মতো জনপ্রিয় বই বিক্রয় কেন্দ্র বা অভিজাত সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চার কেন্দ্রগুলো সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। দেশের জনপ্রিয় ও সুপরিচিত এসব প্রতিষ্ঠান যখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তারও বহু আগে পঞ্চাশের দশকে জ্ঞানের আলো ছড়াতে যাত্রা শুরু করেছিল একটি প্রতিষ্ঠান। দেশের রাজধানী ঢাকা নয়, সংস্কৃতির রাজধানী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মতো মফস্বল শহরে প্রতিষ্ঠিত সেই প্রতিষ্ঠানের নাম ‘রেকটো’।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লেখক-পাঠক, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, সাহিত্য-সংস্কৃতির ব্যক্তিবর্গ এবং সংবাদকর্মীদের কাছে 'রেকটো' শুধু একটি পরিচিত নামই নয়, এটি অনেকের বিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রতিষ্ঠানও বটে। উপরে উল্লিখিত দেশের প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো এত জৌলুসময় না হলেও রেকটোর প্রাচুর্যতা তার কার্যক্রমে, প্রাচীনত্বে ও গুণীজ্ঞানী ব্যক্তিদের সমাবেশে।


৫০-৬০ বা ৭০ এর দশকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছিল শিক্ষা, সাহিত্য-সংস্কৃতি এক উর্বর জনপদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিজস্ব সন্তানতো বটেই, দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তির সমাবেশ ঘটেছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে।



ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ সে সময় সারা দেশে পরিচিত ছিল জ্ঞানী ও গুণী শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান হিসেবে। চাকরিসূত্রে অনেক খ্যাতিমান শিক্ষাবিদগণ শিক্ষকতা করেছেন এই কলেজে। অধ্যাপক হরলাল রায়, লেখক-বুদ্ধিজীবী আহমদ ছফা, কথাসাহিত্যিক মিন্নাত আলী, কবি আসাদ চৌধুরী, প্রাবন্ধিক-গবেষক শান্তনু কায়সার তাঁদের অন্যতম। তাঁরা সবাই সে সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে অবস্থান করছিলেন।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গুণীজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও লেখকদের মধ্যে কবি আল মাহমুদ, ভাষা সৈনিক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া গবেষক মুহম্মদ মুসা, প্রফেসর মোখলেছুর রহমান খান, প্রফেসর মোঃ আবুল কাশেম ভুঁইয়া, প্রফেসর মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম, প্রফেসর মোহাম্মদ আবুল হাসান, প্রফেসর মুসলেহউদ্দিন আহমেদ, শিক্ষাবিদ কাজী আবুল কালাম ইলিয়াস, অধ্যাপক একেএম হারুনুর রশীদ, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, সাংবাদিক সৈয়দ আখতার ইউসুফ, সাংবাদিক মনসুর কামাল প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ সমৃদ্ধ করেছিলেন রেকটোকে। 


শুধু শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক বা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গই নয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যাংকিং সেক্টরের ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ নানা প্রয়োজনে রেকটোর দারস্ত হতেন। এসব ব্যক্তিদের নিয়ে মফস্বলের এই ছোট্ট রেকটোতে গড়ে উঠেছিল একটি সমৃদ্ধ পাঠচক্র। চাকরির অবসরে, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে রেকটোতে ভিড় করতেন সবাই।


তাঁদের অনেকের নামে পত্র-পত্রিকা এবং চিঠিও আসতো এই রেকটোর ঠিকানায়। বিশেষ প্রয়োজনে কারো কারো কোনো খোঁজ দরকার হলে রেকটোতে আসলে তাঁর খোঁজ পাওয়া যেত অথবা কাউকে খোঁজ দেওয়া যেত। রেকটোতে তখনকার দিনে প্রকাশিত স্থানীয় দৈনিক ছাড়াও বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের) প্রায় সকল সংবাদপত্র ও সাহিত্য সাময়িকী রেকটোতে পাওয়া যেত। 


বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের কলকাতা, আগরতলা, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, সোভিয়েত রাশিয়া ও গণচীনসহ বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকাও পাওয়া যেত রেকটোতে। এতেই বোঝা যায় গত শতাব্দীর মধ্যভাগে থেকেই কতটা জনপ্রিয় ছিল এই রেকটো।



জনপ্রিয় এই রেকটো প্রতিষ্ঠা করেছিলেন একজন সাধারণ কিন্তু অসাধারণ মানুষ। তখনকার দিনে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা কম ছিল। বই, সাহিত্য সাময়িকী কিংবা সংবাদ পত্রিকা পড়ার মানুষের সংখ্যাও কম ছিল। সেক্ষেত্রে রেকটোর মতো বই-পত্রিকা বিপণন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ। এডভেঞ্চার মনে করে সেই চ্যালেঞ্জটি হাতে নিয়েছিলেন ২০ বছরের একজন তরুণ। সাধারণের মাঝে অসাধারণ এই তরুনের নাম মহিউল ইসলাম। 


জানা যায়, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর উপমহাদেশ জুড়ে এক ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি হয়। তৎকালীন সমাজ বাস্তবাতায় মুসলিম সমাজের চেয়ে হিন্দু সমাজের মাঝে শিক্ষা-দীক্ষার হার ছিল বেশি। দেশভাগের পরে এই শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর অনেকেই ওপার বাংলায় চলে গেলে সারা দেশে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয় তার প্রভাব পড়েছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতেও। সে শূন্যতা পূরণে এগিয়ে আসেন স্বপ্নবাজ তরুণ মহিউল ইসলাম।


তিনি যেন একটি মৌচাক তৈরি করলেন, যেখানে অনেক মৌমাছির সমাবেশ ঘটেছিল, কিংবা আমরা বলতে পারি তিনি এমন একটি ফুলের বাগান তৈরি করলেন, যেটি দশকের পর দশক ধরে সৌরভ ছড়িয়ে যাচ্ছে।


মহিউল ইসলামের জন্ম ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দের বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর (গাঙ্গিহাতা) গ্রামে। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা মো. ফরাসাত আলী ভুঁইয়া ছিলেন একজন চাকরিজীবী, যিনি চাকরি থেকে অবসেরর পর প্রায় ২০ বছর ইউনিয়ন পরিষদের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। তার মা রাবেয়া খাতুন ছিলেন একজন গৃহিণী। মহর্ষি নারী রাবিয়া খাতুন ছেলে-মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুনিয়াউটে বসবাস শুরু করেন। 


বালক মহিউল ইসলাম স্থানীয় পিটি স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। এরপর তৎকালীন জর্জ ইংলিশ স্কুল (বর্তমানে নিয়াজ মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়) থেকে এন্ট্রান্স (ম্যাট্রিক) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। জানা যায়, তাঁর ভাই-বোনদের সবাই লেখাপড়া সমাপ্ত করে বিভিন্ন ধরনের চাকরিতে যোগদান করেন।



অন্যান্য ভাই বোনদের মতো মহিউল ইসলামও প্রথম জীবনে সাবেরা সোবহান প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। চাকরির পাশাপাশি ১৯৫০ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি ‘রেকটো’ প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হন। 


অল্পদিনের মধ্যে ‘রেকটো’ একটি জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। শিক্ষক, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীদের পদচারণায় মুখরিত এই প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে পরিচালনার একপর্যায়ে ১৯৮৩ সালে তিনি পুস্তক প্রকাশ ও বিক্রয় ব্যবসায় নিয়োজিত হন। এ সময় বিভিন্ন লেখকের প্রায় গুরুত্বপূর্ণ ২৫ টি বই রেকটো থেকে প্রকাশিত হয়। মহিউল ইসলামের বড় ছেলে মাসুকুল ইসলামের হাত ধরে রেকটোর একটি শাখা ঢাকায় স্থানান্তর হয়, বাংলা একাডেমির বই মেলাতেও রেকটো নিয়মিত অংশগ্রহণ করত। 


এক সময় পাঠচক্র, পত্রিকা বিপণন কিংবা পুস্তক প্রকাশ ও বিক্রয় ছাড়াও সাংগঠনিক কাজেও দক্ষ হয়ে ওঠেন মহিউল ইসলাম। আশির দশকের এই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে প্রথম ‘বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশ ও বিক্রয় সমিতি’র শাখা সংগঠন গড়ে তোলেন তিনি। বিভিন্ন সময় এই সংগঠনের দায়িত্ব পালন করে সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দেন।


এই সংগঠন ছাড়াও ১৯৯৭ থেকে পরবর্তি তিন বছর তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহ-সভাপতি পদের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও নিজ গ্রাম মোহাম্মদপুর হাজী বাড়ি মসজিদের মুতোয়াল্লি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। 


১৯৯০ সাল থেকে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মসজিদ রোডস্থ বড় মসজিদ খ্যাত জামে মসজিদের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর পূর্বে তিনি ছিলেন এই মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক। তাঁর সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামে মসজিদের প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়।


পঞ্চাশের দশকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মঠের গোড়ায় প্রতিষ্ঠিত এই দোকানটি এখনো নিজ অবস্থানেই রয়েছে। তবে আকারে আগের থেকে কিছুটা ছোট হলেও, এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কয়েকশো সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দৈনিক পত্রিকার সরবরাহসহ কয়েক হাজার মানুষের সংবাদ তৃষ্ণা মিটিয়ে চলছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী ‘রেকটো’। 


যুগ যুগ ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অন্তহীন আলো ছড়িয়েছেন যিনি- সেই মহর্ষি ব্যক্তি মহিউল ইসলাম ২০০৮ সালের ১৮ মার্চ ৭৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। আজ তাঁর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।


মতিউল ইসলামের বড় ছেলে ও ছোট ছেলে আশিকুল ইসলাম এখনো পত্রিকা বিপণন ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। ছোট ছেলে মোঃ আশিকুল ইসলাম পিতার অনুপ্রেরণায় সাংবাদিকতা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বড় মসজিদের নানা সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ‘রেকটো’র দায়িত্বও পালন করে চলছেন।


এখানে উল্লেখ্য যে, বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত দেশের খ্যাতিমান কবি, মারুফুল ইসলাম মতিউল ইসলামের ভ্রাতুষ্পুত্র। নিজের ছেলে, ভাতিজা ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে অসংখ্য গুণমুগ্ধ ব্যক্তি রয়েছেন, যারা রোজ একবার হলেও রেকটোর সামনে দিয়ে হেঁটে যান এবং মহিউল ইসলামকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।


‘রেকটো’ শব্দের অর্থ ‘খোলা বইয়ের ডান দিকের পৃষ্ঠা’। কোনো বই খুললে সহজেই ডান পাশের পৃষ্ঠাটিই প্রথমে নজরে আসে। তিনি কি উদ্দেশ্যে এই নাম দিয়েছিলেন জানি না, তবে আজও টি এ রোডের মঠের গোড়া (তোফায়েল-আজম মনুমেন্ট)-এর সামনে দিয়ে হেঁটে গেলে আশেপাশে থাকা অসংখ্য দোকানপাটের মধ্যে ছোট্ট রেকটোকেই আমার সবার আগে চোখে পড়ে।


পুনশ্চ : এটা আমি বলতে গর্ববোধ করি যে, আমি শ্রদ্ধেয় মতিউল ইসলামের পাশের গ্রামের ছেলে। ২০০৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থানীয় সংবাদ পত্রিকার সঙ্গে কিছুদিন জড়িত ছিলাম। এই সুবাদে মাঝে মাঝেই রেকটো যেতে হতো। রেকটোর পুরো দায়িত্বে না থাকলেও জনাব মতিউল ইসলাম মাঝে মাঝে সেখানে আসতেন।


ফলে উনাকে দেখেছি, কথা বলেছি, সালাম ও কুশল বিনিময় করেছি। আমার ছোট্ট স্মৃতিপটে তাঁকে নিয়ে খুব বেশি কিছু লেখার নেই। বস্তুত তখন আমি জানতামই না যে, একজন মহিউল ইসলাম কতটা আলোকিত মানুষ ছিলেন। 


আমার এই না জানা সত্ত্বেও প্রায় দশ বছর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুরাতন লাইব্রেরির দোকানে ‘মহিউল ইসলাম স্মারক গ্রন্থ'টি চোখে পড়ে। মো আশিকুল ইসলাম সম্পাদিত স্মারক গ্রন্থটি স্বাভাবিক বই সংগ্রহের আগ্রহ থেকে সেটি আমি সংগ্রহ করে রেখেছিলাম দীর্ঘদিন, কিন্তু কখনো পড়া হয়নি। 


সম্প্রতি কবি ও গবেষক জয়দুল হোসেন স্যার মাঝে মধ্যেই ব্যক্তিগত আলাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে রেকটোর অবদানের কথা উল্লেখ করেন। তখন থেকে রেকটো সম্পর্কে আমার আরো বিশদভাবে জানার আগ্রহ তৈরি হয়। সেখান থেকে বইটি পড়ে এই লেখা তৈরির চেষ্টা।


এই লেখাটি তৈরি করতে কবি জয়দুল হোসেন স্যারের স্মৃতিচারণ ছাড়াও উল্লেখিত স্মারক গ্রন্থটির বিভিন্ন জনের লেখার সহায়তা নিয়েছি। এটি এক বসাতে তৈরি লেখা, রিভিউ করার সময় পাইনি। ভুলভ্রান্তির জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আগামীতে ভুলভ্রান্তি নিরসনসহ লেখাটিকে আরো আরো প্রাঞ্জল করার চেষ্টা করব। 


—----------

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেকটোর প্রতিষ্ঠাতা মহিউল ইসলাম : অন্তহীন আলো ছড়িয়েছেন যিনি।

১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ

১৮ মার্চ ২৬


বিশেষ দ্রষ্টব্য : লেখাটি আবার ব্লগেও পড়া যাবে। লিংক কমেন্টে দেওয়া হল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ