দূরে, ঐ দিগন্ত রেখায় সারি সারি পাহাড়।দু’হাত দু’পাশে প্রসারিত করে একশআশি ডিগ্রি কোণ জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে তারা।না! এবার আর মুয়াজ্জিনের আজান নয়, রূপকথার অচিন কোনো পাখি নয়, কে যেন হাতছানিয়ে ডাকছে আমাকে। দূর থেকে ভেসে আসছে শব্দহীন, রহস্যময় সে ডাক।সেকি স্বয়ং পাহাড়, নাকি তার উপরের অনাদিকাল থেকে আমার জন্য অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে কেউ!
মাথার উপর পাখিদের কোলাহল। কোথা যায়, কোথা থেকে আসে। কোথায় তার আহারের সন্ধান? এই বিশাল উন্মুক্ত জলাশয়ের মধ্যখানে, যেখানে চোখের নাগালে দেখা যায় না একখণ্ড মাটি কিংবা একটি সজীব-শুকনো গাছ। যেখানে ক্লান্ত ডানা বিশ্রামের নিতে পারে একটু বিশ্রাম। নাকি দূর পাহাড়ের ডাক শোনে পাখিরাও রোজ। আজ সে রহস্যের সন্ধানে বেড়িয়ে পড়ব আমরা।
ইতোমধ্যে লেকের জল চঞ্চল হয়ে উঠছে। কয়েকটি নৌকা এলোমেলোভাবে এগিয়ে চলছে। কেউ এলোমেলো, কেউবা সারিবদ্ধভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এক অপার্থিব সৌন্দর্য লোকে। ছইয়ের দাঁড়িয়ে বসে আছে কিছু মানুষ। যারা আমাদের মতো ঘুরতে এসেছে এখানে। কিছুক্ষণ পর এরকম কোনো একটা নৌকায় উঠে পরবো ১১জনের দল।
পাহাড়-হৃদের দেশে…রাঙামাটি ভ্রমণ-২০২৫ (পর্ব-৩)
মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ
মধুমতি রেস্টহাউজ, রিজার্ভ বাজার সড়ক, রাঙামাটি।২৫ ডিসেম্বর ২৫



0 মন্তব্যসমূহ