তাঁর শহিদি যাত্রায় অভ্যর্থনা জানাতে
পাঠ্যবই হাতে ছুটে এসেছিল
দেড় শতাধিক শিশু
শরীরের রক্ত সুধা ঢেলে রঙিন করেছে
ঊর্ধ্ব আকাশগামী পথ
যে পথে মিশে আছে লাখো শুহাদার
পবিত্র পদচিহ্ন।
তাঁর কফিন বয়ে নিয়ে চলে
ফাত্তাহ, খোররাম শাহর, সেজ্জিল
রেজভান কিয়াম, খাইবার শেকান,
এমাদ, শাহাব ও কাসেম সোলাইমানির মতো
দুর্র্ধষ সব ক্ষেপণাস্ত্র।
সবুজ, সাদা ও লাল পতাকার কফিন
এগিয়ে চলে ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে।
শামাল-জুবুব, মাশরেক থেকে মাগরেব
প্রকম্পিত করে সেই ধ্বনি এগিয়ে চলে
আরশে মহল্লার দিকে।
একের পর এক আসমানের দ্বার খুলে-
‘খোশ আহমেদ- খোশ আহমেদ’- বলে
চিৎকার করতে করতে-
নিজেদের পাখা বিছিয়ে দেয়
ফেরেশতাদের দল।
ইহুদি-নাসারা, বেইমান-মুনাফিকদের
সামনে মাথা নিচু না করা বীর-
আজ শীর উঁচু করে
সাত আসমান পাড়ি দিয়ে এগিয়ে যায়
বেহেস্তের পানে।
যেখানে-
সাম্রাজ্যবাদী-জালেমদের চিরতরে
ধ্বংস না করতে পারা
তাঁর অতৃপ্ত হৃদয়কে শান্ত করতে
হাতে নিয়ে কেউ দাঁড়িয়ে আছে
শারাবান তাহুরা।
তাঁর জন্যই কী কবি বলেছেন?
“ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া,
খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া,
উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর!”
তাইতো, চতুর্দিকে আজ জয়ধ্বনি
জয় আয়াতুল্লাহ আল খামেনির জয়।
------
খামেনির শহিদি যাত্রা
মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ
০১ মার্চ ২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া

0 মন্তব্যসমূহ