অভিযোগের কাঠগড়ায় শিক্ষক, বিচারকের ভূমিকায় শিক্ষার্থী-অভিভাবক :
সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অশনি সংকেত!
মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ
দেশের নানা স্থানে প্রায় সময় শিক্ষকদের উপর নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনার খবর প্রকাশিত হয়। নানা ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল প্লাটফর্মে। সম্প্রতি এরকম একটা ভিডিও দেখলাম, একজন প্রধান শিক্ষককে মোড়া (বসার জন্য ব্যবহৃত প্লাস্টিক টুল) তুলে মারতে গিয়েছে একজন কিশোর। সেভেন-এইট পড়ুয়া শিক্ষার্থী। একটি আঘাতও করেছে সে। আকর্ষিক ঘটনায় চেয়ার থেকে উঠে হাত দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে গিয়েও আঘাত প্রাপ্ত হলেন সেই শিক্ষক। ঘটনা কোন জায়গায়, কি কারণে এরকম বর্বরোচিত ঘটনা ঘটলো তার বিস্তারিত তথ্য কোনো সংবাদ মাধ্যমে এখনো চোখে পড়ল না। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছোট্ট ভিডিওক্লিপে দেখা যায়, সমবয়সি অনেক শিক্ষার্থী প্রধান শিক্ষকের রুমে প্রবেশ করেছে। সেই সময় সেখানে আরো কিছু শিক্ষক অথবা অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। সম্ভবত কোনো বিষয় নিয়ে বা দাবি-দাওয়া নিয়ে কথা বলতে এসেছিল শিক্ষার্থীরা।
এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে এক শিক্ষার্থী সামনে থাকা মোড়া নিয়ে প্রধান শিক্ষককে আঘাত করে। সে সময় একজন ব্যক্তি ওই শিক্ষার্থীকে সেখান থেকে দ্রুত বের করে দেয়। আরেকজন ব্যক্তি আক্রমণকারী শিক্ষার্থীকে আঙুল তুলে তিরস্কার করতে দেখা যায়। সেখানে আরো শিক্ষার্থীরা অনেকটা নীরবে দাঁড়িয়ে এই ঘটনা দেখল। কিন্তু তারা কোনো প্রতিবাদ করল না। বোঝা যাচ্ছে, তারা এই শিক্ষার্থীর এই কর্মকাণ্ডের নীরব সমর্থক। নীরবতার কারণ ভিডিও দেখে নিশ্চিতভাবে বোঝা না গেলেও তাদের সেই নীরবতা উদ্বেগজনক ছিল। কিছুদিন আগে আরেকটি ভিডিওতে দেখলাম, দুইজন অভিভাবক বাবা ও মা কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শিক্ষিকার গায়ে হাত তুলেছে। তাও আবার স্কুলের শিক্ষকদের বসার জন্য নির্ধারিত অফিস কক্ষেই।
সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষক নির্যাতনের মারাত্মক একটি ঘটনা ঘটেছে ভৈরবে। দেশের বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, সিঁথি সীমিতা নামের এক কিন্ডারগার্টেন শিক্ষিকাকে ঘরের দরজা আটকে ধারালো দা দিয়ে নৃশংসভাবে কোপানো হয়েছে। হামলায় ওই শিক্ষিকার মাথায় ১০টি কোপ লেগেছে এবং তাঁর মাথায় প্রায় ৫০টি সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়া তাঁর হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন হওয়াসহ সারা শরীরে গুরুতর আঘাত লেগেছে। হামলার কারণ হিসেবে জানা যায়, শিক্ষিকা সিঁথি সীমিতা অভিযুক্ত প্রিয়া বেগমের ৪ বছরের সন্তানকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন। পড়ানো শেষে টিউশনির বকেয়া টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রিয়া বেগম এই হামলা চালায়।
শিক্ষকরাও রক্ত-মাংসে গড়া মানুষ। তাই তাঁদেরও ভুল, সীমাবদ্ধতা ও বিচ্যুতি থাকতে পারে। লোভ-লালসা, রাগ-অভিমান, হিংসা-বিদ্বেষ, ক্রোধ-শ্লেষ থাকতে পারে। ফলে শিক্ষকদের থেকেও অনেক সময় নানা ধরনের ছোট-বড় ভুল বা অন্যায় হয়ে থাকে। তাই আমরা দেখি শিক্ষকদের দ্বারা ছাত্রছাত্রী অতিরিক্ত মারধরের শিকার হয়। প্রাইভেট না পড়লে নাম্বার কম দেওয়া, স্কুলের বেতন না দেওয়া, বাড়ির কাজ ঠিকমতো না করে আনা, ক্লাসে পড়া না পারা, স্কুল ড্রেস পরে না আসা, চুল-নখ না কাটার কারণে অথবা শিক্ষার্থীদের অন্য কোনো ভুল-ত্রুটির কারণে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শাসন করেন। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদের নির্ধারিত লাইব্রেরি থেকে বই-গাইড, স্কুল ড্রেস, ব্যাগ, খাতা-কলম ইত্যাদি না কেনার কারণেও শিক্ষকরা ছাত্র ছাত্রী অথবা তাদের অভিভাবকদের সাথে দূর্ব্যবহার করেন।
এসব নানা কারণে শিক্ষকরা ছাত্রদের উপর নির্যাতন করেন। এতে ক্ষুব্ধ ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকরা শিক্ষকদের উপর গালিগালাজ, শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়ে বসেন। এছাড়া শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্তৃক ছাত্র ছাত্রীদের উপর যৌন নির্যাতনের মতো মারাত্মক ঘটনার অভিযোগও আমাদের দেশে আছে। ক্লাসের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় অবমাননাকর বক্তব্যের কারণেও অনেক সময় শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী শিক্ষকদের উপর চড়াও হয়।
শিক্ষকদের নানা অন্যায়, অপরাধ, বিচ্যুতি মাথায় রেখেই বলছি, তাদের বিভিন্ন অপরাধের জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনেক সুযোগ আছে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি আছে, জেলা উপজেলায় শিক্ষা বিষয়ক কার্যালয় এবং কর্মকর্তা আছে। স্থানীয় প্রশাসন আছে, সরকার আছে, মন্ত্রণালয় আছে। সর্বোপরি, অপরাধের ধরন অনুযায়ী আইন-আদালতে অভিযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। বিচার করার এতসব কার্যালয় বা ব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও একজন ছাত্র-ছাত্রী কিংবা অভিভাবক কেনো শিক্ষকদের উপর হামলা করবে? কোনো শিক্ষকদের বিচারের দায় নিজের হাতে নেবে?
অনেক ঘটনা ভাইরাল হওয়ার পরও জানা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খুব সামান্য কারণেই শিক্ষকরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। নিজ ক্লাসে, নিজে শ্রেণিকক্ষে, অফিস কক্ষে, রাস্তা-ঘাটে এমনকি নিজেদের বাসায় নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন শিক্ষকরা। মিথ্যা অভিযোগে বা সামান্য অপরাধের মিথ্যা মামলায় কারাবরণের ঘটনাও ঘটেছে। বেশ কয়েকজন শিক্ষক ছাত্র অভিভাবক কর্তৃক হামলার শিকার মৃত্যুবরণ করার ঘটনাও ঘটেছে। আর ২৪ এর গণ-আন্দোলনের পর সারা দেশে যেভাবে মব সৃষ্টি করে শিক্ষকদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করা ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে, সেসব কথা তো সবারই জানা।
শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, শিক্ষকগণ মানুষ তথা দেশ গড়ার কারিগর। জাতির বিবেক, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধারক এবং বাহক একজন শিক্ষক। স্নেহ-ভালোবাসা, মায়া-মমতা, ন্যায়-নীতির শিক্ষাসহ পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধের শিক্ষা দেন একজন শিক্ষক। সেই শিক্ষকদের বর্তমান সময়ে যেভাবে নির্যাতন-নিপীড়ন করা হচ্ছে, তা মোটেও কাম্য নয়। যেখানে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে, সেখানে একজন ছাত্র নিজেই কেনো বিচারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে? একজন অভিভাবক নিজেই কেন শিক্ষকের বিচারের দায়িত্ব নিচ্ছেন?
শিক্ষকতা পেশা হিসেবেই নয়, রাষ্ট্রের নিয়োজিত একজন কর্মচারী হিসেবেও রাষ্ট্র তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ এবং রাষ্ট্রীয় কাজে বাধা প্রদান করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা উচিত। এবং এসব শাস্তির ঘটনাগুলো ফলাও করে সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রচার করা উচিত। যেন ভবিষ্যতে এমন কোনো ঘটনা ঘটাতে অন্যরা সাহস না পায়। অপরদিকে যারা শিক্ষক হয়েও নানা ধরনের অন্যায়-অপরাধ করেন বা বা শিক্ষার্থীদের সামান্য কারণে শাস্তি দেন কিংবা শিক্ষার্থীদের কোনো যৌক্তিক দাবি পূরণ করতে ব্যর্থ হন, তাদের অপরাধের ধরন অনুযায়ী শাস্তি হওয়া প্রয়োজন এবং সেই শাস্তির কথা দেশবাসীকে জানিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। এটা করে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস এবং ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে। ফলে শিক্ষকের উপর নির্যাতন করা তো দূরের কথা, দোষে শিক্ষকের ও বিচার করার দায়িত্ব নিজের হাতে কেউ তুলে নেবে না।
দেশে এ পর্যন্ত ঘটা বিভিন্ন ঘটনায় দোষী ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের চিহ্নিত করে শাস্তি নিশ্চিত না করা হলে, ভবিষ্যতে অনেকেই শিক্ষকতা পেশায় আসতে বারবার ভাববেন বা আসবেন না। দেশে এত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা থাকারও যেখানে নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ তৈরি করা যাচ্ছে না, সেখানে, সে দেশে শিক্ষক সংকট তৈরি হলে দেশ কতটা অমানুষের দেশে পরিণত হবে- তা ভাবার সময় এখনই।
বর্তমান প্রজন্মের একটি দৃশ্যমান অংশের মধ্যে উদ্বেগজনক আচরণগত অবক্ষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিশোরগ্যাং কালচার, প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়া, মেয়েদের টিজ করা বর্তমান প্রজন্মের কাছে সাধারণ বিষয়। মুরুব্বি বা বড়দের দেখে সংযত কথাবার্তা বা আচরণ না করার অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, বেয়াদবিকে তারা বেয়াদবিই মনে করছে না। এরা পরস্পরের সাথে কথা বলে নোংরা ভাষায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় নোংরা ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট এবং মন্তব্য করে। অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে ভিডিও প্রকাশ করে অনেকটা নির্ভয়ে।
একটা প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য অংশের এরকম নৈতিক অধঃপতন নিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রকে ভাবতে হবে এবার। একথা ঠিক যে, সব শিক্ষার্থী খারাপ নয় বা এই প্রজন্মের সবাই উচ্ছনে যায়নি। কিন্তু যারা গিয়েছে তারা সমাজে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং ভালো ছাত্রছাত্রী ও ভালো মানুষের জীবনকে বিষিয়ে তুলছে।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক একসময় কতটা আস্থাভিত্তিক ছিল, তার একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ মনে করিয়ে দিতে চাই। লেখার ইতি টানবো একজন মহৎ প্রাণ, আদর্শ ছাত্রের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে। শিক্ষকের সম্মান রক্ষার্থে যিনি নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন। ঘটনাটি নওগাঁর। ১৯৬৩ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তান দিবসের অনুষ্ঠান ছিল শহরের তাজ সিনেমা হলে। এ অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে বসা নিয়ে একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে নওগাঁর তৎকালীন এসডিও আইবুর রহমানের আদেশে পুলিশ উপস্থিত জনতার ওপর গুলি বর্ষণ করে। এতে গুলিবিদ্ধ হন মোখলেছুর রহমান নামে একজন ছাত্র। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরের দিন ২৪শে মার্চ তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মোখলেছুর রহমানের মৃত্যুতে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে নওগাঁবাসী। বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা শহরে প্রতিবাদ মিছিলের করে। শহরের বিভিন্ন মাইকে ঘোষণা দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় তাঁর জানাজার নামাজ। শহিদ মোখলেছুর রহমানের জানাজায় অংশগ্রহণ করে হাজার হাজার মানুষ। শিক্ষকের সম্মান রক্ষায় আত্মোৎসর্গ করা এই ছাত্রের কথা আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে নওগাঁবাসী। এরকম ঘটনা ইতিহাসে সত্যিই বিরল। আজকের দিনে এগুলো অপ্রত্যাশিত একটি ব্যাপার। ২০১৭ সালে ‘একুশে পরিষদ, নওগাঁ’ কর্তৃক প্রকাশিত ১৬তম একুশে বুলেটিনে ‘শিক্ষকের সম্মান রক্ষায় ছাত্রের জীবন বিসর্জন’ শিরোনামে নাট্যশিল্পী খাদেমুল ইসলামের এই বিষয়ে একটি অনুসন্ধ্যানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, শিক্ষাই সুখের মূল, শিক্ষাগুরুর মর্যাদা অপরিসীম, নিজের গায়ের চামড়া দিয়ে জুতো বানিয়ে দিলেও শিক্ষকদের ঋণ শোধ হবে না - এরকম নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন প্রজন্ম করে না তুলতে পারলে শুধু বই-পুস্তকের জ্ঞান বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দিয়ে একটি আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব হবে ন্।া একটি জাতির নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তি গড়ে ওঠে শিক্ষার ওপর; আর সেই ভিত্তি নির্মাণে শিক্ষকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কাজেই ‘আজ থেকে চির উন্নত হল শিক্ষাগুরুর শির’ এই মন্ত্রে দীক্ষিত না হলে আমাদের সম্ভব হবে না একটি আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলা।
সুতরাং শিক্ষার্থীদের মেধার মান উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের নৈতিক মান উন্নয়ন ও মানবিক গুণাবলির বিকাশের উপায় নিয়েও আমাদের ভাবতে হবে। অভিভাবক এবং শিক্ষকদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার কৌশল নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে কি উপায় তার সহজ ও শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে, সে সব বিষয়ে সবাইকে সচেতন করতে হবে। ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের একটি সুন্দর, সম্মানজনক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারলেই তবেই আমরা একটি আদর্শ শিক্ষা ব্যবস্থা, একটি আদর্শ প্রজন্ম, সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারব।
---------
মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
২১ জুলাই ২০২৬
(শিক্ষালোক আগস্ট-সেপ্টেম্বর সংখ্যা ২০২৬-এ প্রকাশিত।)
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ : মাহবুব উল আলম ভাই ও শিক্ষালোক পরিবার।




0 মন্তব্যসমূহ