Ticker

6/recent/ticker-posts

কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ মিন্নাত আলীর জীবন ও কর্ম

কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ মিন্নাত আলীর জীবন ও কর্ম
মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শিক্ষা-সাহিত্য এবং সংস্কৃতিকে যারা সমৃদ্ধ করেছেন তাদের অন্যতম একজন বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও কথাসাহিত্যিক মিন্নাত আলী। তাঁর জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে হলেও চাকরির সূত্রে তিনি দীর্ঘদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বসবাস করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেই স্থায়ী হয়েছে। 

১৯২৭ সালে ভৈরব ব্যাপারীর বাড়িতে পিতা হাজী আহমদ আলী, মাতা কান্চন বিবির ঘরে জন্ম নেয়া এই মনীষী ভৈরব প্রাইমারি স্কুল থেকে পঞ্চম শ্রেণি করেন এবং ১৯৪৬ সালে ভৈরব কে বি হাই স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে ঢাকা কলেজ থেকে (তৎকালীন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ) আই এসসি প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করে পরবর্তীতে ভৈরব হাজী আসমত কলেজ থেকে আই এ পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হয়ে ১৯৫৫ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।


ছবি পরিচিতি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংগীত সংসদ আয়োজিত রবীন্দ্র নজরুল-জয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন কথাসাহিত্যিক মিন্নাত আলী। ছবির সাল, ভেন্যু ও ফটোগ্রাফারের নাম অজানা। মঞ্চে বসা বাঁ থেকে প্রথমে রয়েছেন অধ্যাপক শান্তনু কায়সার, অধ্যাপক হরলাল রায়, কবি মতিউল ইসলাম। সর্বশেষ ব্যক্তির নাম অজানা।

পেশাগত জীবনে প্রথমে ভৈরব কে বি হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেন। পরে সিলেট মদন মোহন কলেজ ও ময়মনসিংহ নাছিরাবাদ কলেজে শিক্ষকতা করেন। মিন্নাত আলী ১৯৫৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজে বাংলার অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি এই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। জেলার নারীদের শিক্ষা বিস্তারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠায় এবং এর উন্নয়নে অধ্যক্ষ মিন্নাত আলীর অবদান অবিস্মরণীয়।

৯০ দশকের প্রারম্ভে সরকারি চাকরির থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি পর্যায়ক্রমে আরো ৩টি কলেজ অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এগুলো হলো ভৈরব রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজ, আশুগঞ্জ ফিরোজ মিয়া কলেজ (১০৯২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজেশ্বর এ মোনেম কলেজ। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিষ্ঠাকালীন প্রথম অধ্যক্ষ হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইতিহাস-ঐতিহ্য, সাহিত্য-সংস্কৃতিকে সমুজ্জ্বল করেছেন অধ্যক্ষ মিন্নাত আলী। জেলার শিক্ষা বিস্তারে রেখেছেন ভূয়সী ভূমিকা। 


ছবি পরিচিতি : খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছবি এটি। এই ছবির ফ্রেমে রয়েছেন একঝাক গুণী লেখক। মঞ্চে বসা বাঁ থেকে প্রথমে রয়েছেন কবি ও গীতিকার, অধ্যাপক একে এম হারুনুর রশীদ, অধ্যাপক শান্তনু কায়সার, কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ মিন্নাত আলী, তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোঃ নিজাম উদ্দিন, বরেণ্য কবি আল মাহমুদ (বক্তব্যরত) ও কবি মতিউল ইসলাম। সর্বশেষ ব্যক্তির নাম অজানা। ছবির সাল, ভেন্যু ও ফটোগ্রাফারের নাম অজানা।

চাকরিসূত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসার আগেও তিনি একাধিকবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেছেন বলে তাঁর বিভিন্ন লেখায় উল্লেখ করেছেন। ১৯৩৬ সালে আশুগঞ্জ ভৈরব সেতু নির্মাণ কাজ চলাকালে এই সেতুর নির্মাণ কাজ দেখতে তিনি সর্বপ্রথম ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসেন। এছাড়া একই বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাউতলী অনুষ্ঠিত এক সময়ের জনপ্রিয় এসডিওর মেলা দেখতে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেছিলেন। ১৯৪০ সালে মিন্নাত আলীর বড় ভাই আবুল হাসেম ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে মেট্রিক পরীক্ষা দিতে আসলে তিনিও ভাইয়ের সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেছিলেন বলে উল্লেখ করেন। তাছাড়া তিনি নিজেও ১৯৪৬ সালে মেট্রিক পরীক্ষা দিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসেন।

প্রাকৃতিক রূপ-সুধায় ভরপুর আর দেশখ্যাত গুণীজ্ঞানী মানুষের পদচারণায় মুখর ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে তিনি ভালোবেসে ছিলেন শৈশব থেকেই। আর তাই ১৯৫৭ সালের তিনি যখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের শিক্ষক হিসাবে চাকরি করার আমন্ত্রণ পান, তা আর অস্বীকার করেননি। তারপর থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাথে তাঁর যাত্রার শুরু হয়, যা আমৃত্যু স্থায়ী ছিল। তাঁর উত্তর প্রজন্মরাও ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।


(ছবি পরিচিতি:
আরেকটি ঐতিহাসিক ছবিতে বাংলাদেশের এক ঝাঁক গুনি লেখক। সাহিত্য একাডেমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠান ১৯৮৪তে বক্তব্য প্রদান করছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত লেখক-গবেষক আবুল কাসেম ফজলুল হক। মঞ্চে বসা বাঁ থেকে প্রথমে রয়েছেন বরেণ্য কবি আল মাহমুদ, কবি আল মুজাহেদী, কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ মিন্নাত আলী, জেলা প্রশাসক মোঃ নিজাম উদ্দিন।)

৪০ এর দশক থেকে শুরু করে এই শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ঘটনার তথ্য পাওয়া যায় মিন্নাত আলী রচিত বিভিন্ন গল্প ও প্রবন্ধে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর লেখা ডাইরি এবং মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনার উপর লেখা গল্প ও প্রবন্ধগুলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য এক অনন্য দলিল হিসেবে বিবেচিত। মুক্তিযুদ্ধকালীন তিনি ছিলেন বেসরকারি কারা পরিদর্শক কমিটির অন্যতম সদস্য। ফলে তিনি খুব কাছ থেকেই পাকিস্তান বাহিনী ও স্থানীয় রাজাকারদের কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পেয়েছেন। জানার সুযোগ পেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে। এসব তিনি তার দৈনন্দিন ডায়েরিতে তারিখসহ লিখে রেখেছিলেন যা পরবর্তীতে বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

কথাসাহিত্যিক মিন্নাত আলী ছাত্র জীবন থেকেই লেখালেখির সাথে সম্পৃক্ত ছিলের। ছাত্রাবস্থায় তিনি স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন পত্রপত্রিকাতে লেখালেখি করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় হল ম্যাগাজিনের সম্পাদনার দায়িত্ব পালর করেছেন তিনি। এছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে অধ্যাপনা সময় প্রথম ‘কলেজ বার্ষিকী ১৯৫৫-৫৬’ প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করেন তিনি। 


ছবি পরিচিতি : সাহিত্য একাডেমি আয়োজিত কবি আহসান হাবিব স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রাবন্ধিক-গবেষক ও অধ্যাপক শান্তনু কায়সার। বসে আছেন কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ মিন্নাত আলী।

ষাটের দশকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর থেকে প্রকাশিত সাহিত্য সাময়িকী পাক্ষিক ‘পরিচয়’,‘সমাজ’,‘পাড়ি’সহ বিভিন্ন সাহিত্য-সাময়িকী সংকলন, সম্পাদনা ও প্রকাশনায় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। ১৯৬৮ সালে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার শতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত সাময়িকী প্রকাশনার সাথেও সংশ্লিষ্ট ছিলেন তিনি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে প্রকাশিত পাঠকনন্দিন সংবাদপত্র 'দৈনিক প্রজাবন্ধু'র প্রথম সম্পাদক ছিলেন অধ্যক্ষ মিন্নাত আলী। ষাটের দশকে বিভিন্ন নাটক ও সংগীত অনুষ্ঠান আয়োজনেও ভূমিকা রাখেন মিন্নাত আলী। 

কথাসাহিত্যিক মিন্নাত আলীর সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক ঝাঁক গুণী ব্যক্তির সমাবেশ ঘটেছিল। অধ্যাপক হরলাল রায়, অধ্যাপক এ কে এম একে এম হারুনুর রশীদ, লেখক আহমদ ছফা, কবি আসদ চৌধুরী, অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার, গষেষক মুহম্মদ মুসাসহ অসংখ্য গুণী মানুষ ছিলেন তার সমসাময়িক ব্যক্তি কিংবা সহকর্মী। তাঁদের সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছিল সাহিত্য-সংস্কৃতিতে এক উর্বর জনপদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কবি ও গবেষক জয়দুল হোসেন বলেন- “অধ্যক্ষ মিন্নাত আলী যখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন তখন তাঁর অফিস কক্ষটি ছিল সে সময়ের গুণী সাহিত্যিকদের আড্ডার অন্যতম একটি স্থান। কলেজের কোনো সাবজেক্ট পড়ার ফাঁকে গ্যাপ থাকলে কিংবা কলেজ ছুটির আগে পরে এইখানে উপরিউক্ত সাহিত্যিকরা ভিড় করতেন। দেখা যেত প্রায় সময় মহিলা কলেজের গেট দিয়ে এ সমস্ত ব্যক্তিবর্গদের কেউ ঢুকছেন বা কেউ বের হচ্ছেন। ”


ছবি পরিচিতি : ১৯৮৪ সালে কবি মতিউল ইসলাম-এর মৃত্যুর পর তাঁর স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রাবন্ধিক-গবেষক ও অধ্যাপক শান্তনু কায়সার।সে আছেন কথাসাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ মিন্নাত আলী।

ষাটের দশকে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের খ্যাতনামা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাহিত্য সাময়িকীগুলোতে অসংখ্য গল্প, প্রবন্ধ লিখেছেন অধ্যক্ষ মিন্নাত আলী। এছাড়াও জেলা শহর থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত সাহিত্য সাময়িকী, দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোতে মিন্নাত আলীর লেখার প্রকাশিত হয়েছে। চিঠি লিখতে পছন্দ করতেন তিনি। ২০০২ সালের বইমেলায় তাঁর কাছে লেখা ৭৮ জন সাহিত্যিকের চিঠি নিয়ে প্রকাশ করেন ‘সাহিত্যিকের পত্রালাপ’ নামে একটি গ্রন্থ।

এটি ছাড়াও মিন্নাত আলী রচিত প্রকাশিত গ্রন্থর সংখ্যা মোট ১৪ টি। গ্রন্থসমূহ হলো : মফস্বল সংবাদ (১৯৫৮), আমার প্রথম প্রেম (১৯৫৯), যাদুঘর (১৯৬৯), আমি দালাল বলছি (১৯৭৪), চেনা ও জানা (১৯৮০), চিরায়ত কাহিনী, না বলা কথা (১৯৮০), রক্তের ঋণ, মেঘনা, চল্লিশ দশকে ঢাকা, স্মৃতির শহর ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আমার হজ্ব পালন : স্বপ্ন ভঙ্গ, কাফনের লেখা, সাহিত্যিকের পত্রালাপ ইত্যাদি।


ছবি পরিচিতি : মঞ্চে বসা বাঁ থেকে প্রথমে রয়েছেন অধ্যাপক শান্তনু কায়সার, কবি ও গীতিকার, অধ্যাপক একে এম হারুনুর রশীদ, কবি মতিউল ইসলাম, তার পরের জন অজানা, সব শেষে রয়েছেন কথাসাহিত্যিক মিন্নাত আলী। ছবির বিস্তারিত তথ্য অজানা।

কথাসাহিত্যিক মিন্নাত আলী ছোটোগল্প লেখায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭৫ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি ১৯৮৭ সালে কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত হন। ১৯৮৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক সম্মানে ভূষিত হন। ১৯৯৪ সালে কিশোরগঞ্জ সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ কর্তৃক গুণিজন হিসেবে সংবর্ধিত হন তিনি। এছাড়াও আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন মিন্নাত আলী। 

আমৃত্যু সাহিত্য প্রাণ মানুষ কথাসাহিত্যিক মিন্নাত আলী ২০০৮ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ ‘শুভ বাড়ি’তে ৮১ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। আমরা এই মহৎপ্রাণ মানুষের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। তাঁর রেখে যাওয়া সাহিত্যকর্মগুলোকে নতুন প্রজন্মের পাঠকদের কাছে ছড়িয়ে যাওয়ার দেওয়ার উদাত্ব আহ্বান জানাচ্ছি।

-------------

তথ্যসূত্র : 

* তিতাসপাড়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়া (প্রবন্ধ), কালোত্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মনসুর কামাল সম্পাদিত, পৃষ্ঠা : ৩৫-৪৫।

* যে সাধ মিটে নাই (প্রবন্ধ), শহিদ বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক লুৎফুর রহমান স্মারকগ্রন্থ, জয়দুল হোসেন ও মামুন সিদ্দিকী সম্পাদিত : পৃষ্ঠা : ১০৮-১১২

* আমি দালাল বলছি, মিরা প্রকাশনী, প্রকাশ : ২০০৮

* অধ্যক্ষ আহমেদ আলী সরকারের লেখা থেকে জালাল উদ্দিন-এর ফেসবুক পোস্ট।

* কথোপকথন : জয়দুল হোসেন, কবি ও গবেষক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

* উইকিপিডিয়া

* নোট: অধ্যক্ষ মিন্নাত আলী স্যারকে নিয়ে লেখা এটি আমার প্রথম লেখা। এটি একটি অসম্পূর্ণ ও অসম্পাদিত নিবন্ধিত। আগামী বছরের মধ্যে মিন্নাত আলী স্যারকে নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ নিবন্ধন লেখার প্রকাশ করছি। প্রয়োজনীয় তথ্য ও ছবি দিয়ে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি উদারতা আহ্বান জানাচ্ছি।

আজকের পোস্টে উল্লিখিত ছবিগুলো কবি ও গবেষক জয়দুল হোসেন স্যার ও প্রয়াত অধ্যাপক শান্তনু কায়সারের ছেলে রাসেল রায়হান ভাইয়ের কাছ থেকে সংগ্রহ করা। ছবিগুলোর নিচে ক্যাপশনযুক্ত করা হলো।


মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ

৭ ডিসেম্বর ২৫

লোকনাথ দিঘিরপাড়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ